সর্বশেষ

24.6 C
Rajshahi
Tuesday, December 7, 2021

Tuesday, December 7, 2021

ইতালির একটি গ্রামে আটবছর পর একটি শিশুর জন্ম হয়েছে !

রাজশাহীর থিম ওমর প্লাজায় বিনিয়োগের সুবর্ণ সুযোগ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অল্প কিছু সংখ্যক ফ্ল্যাট ও দোকান বিক্রয় চলছে। এককালীন মূল্য পরিশোধে বিশেষ মূল্য ছাড় !! যোগাগোঃ 01615-33 22 29,01615-33 22 51. Theme Omor Plazaকম্পিউটার,কম্পিউটার এক্সেসরিজ ও মোবাইল মোবাইল এক্সেসরিজ. এবং ইলেকট্রনিক্স পন্য মেলা দোকান স্টল বুকিং ও রেজিস্ট্রেশন চলছে। যোগাযোগ-০১৬১৫-৩৩২২২৯,০১৬১৫-৩৩২২৫১,০১৬১৫-৩৩২২২৬ , ০১৭১৯-২৫০২৪২,০১৭২১-১৮৪৮৩১

টপ নিউজ ডেস্ক : ইতালির ক্ষুদ্রতম গ্রাম মর্টেরোনের লোম্বারদিতে পাহাড়ি সম্প্রদায়ের বাস। গত রোববার এই গ্রামের এক দম্পতির ঘরে জন্ম নিয়েছে এক পুত্র সন্তান। তার নাম রাখা হয়েছে ডেনিস। দীর্ঘ আট বছর পর সেখানে কোন শিশুর জন্ম হল। এই নতুন সদস্য আসায় বর্তমানে গ্রামবাসীর সংখ্যা বেড়ে হল ২৯। এই শিশুর জন্ম নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে ইতালির এই গ্রামে। শিশুটির জন্মকে রীতিমতো উদযাপন করছেন গ্রামবাসী। আনন্দের জোয়ারে ভাসছে গোটা গ্রাম।

- - Advertisement - -

মর্টেরোনের মেয়র আন্তোনেলা ইনভারনিজ্জি বললেন, ‘গোটা সম্প্রদায়ের কাছে এটা প্রকৃতই একটা উদযাপনের বিষয়।’ ইতালির প্রথা অনুযায়ী, সন্তানের জন্মের পর বাড়ির দরজায় রিবন বা ফিতা আটকে ঘোষণা করা হয়। ছেলে হলে লাগানো হয় নীল রিবন ও মেয়ে হলে গোলাপি রিবন। সেই প্রথা মেনেই ডেনিসের বাবা-মা ম্যাথিউ ও সারা তাদের দরজায় একটি নীল রঙের ফিতা দরজার বাইরে লাগিয়ে দেন। উপরে লিখে দেওয়া হয় শিশুপুত্রের নাম- ডেনিস।

২০১২ সালে সর্বশেষ এই গ্রামে এভাবে দরজায় ফিতা লাগানো হয়েছিল। সেসময় সেখানে জন্ম নিয়েছিল এক কন্যাসন্তান। তাই তখন গোলাপি রঙের রিবন লাগানো হয়। তারপর থেকে ওই গ্রামে আর কোন শিশু জন্মায়নি। ফলে এভাবে লাগানো কোন রিবনও দেখতে পাওয়া যায়নি। লেকো এলাকার আলেসান্দ্রো মনজোনি হাসপাতালে ডেনিসের জন্ম হয়। সম্পূর্ণ সুস্থ ওই শিশুটির জন্মের সময় ওজন হয়েছিল ২.৬ কেজি।

করোনা ভাইরাসের সময় অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় উদ্বেগে ছিলেন ডেনিসের মা সারা। লোম্বারদি জুড়ে প্রবল আকার নিয়েছে কোভিড-১৯। তবে ছোট্ট গ্রাম মর্টেরোনে এখনও থাবা বসাতে পারেনি মারণ ভাইরাস। সারা জানান, ‘এই মহামারির সময় গর্ভবতী হওয়াটা সহজ ছিল না। আমরা বাড়ির বাইরে বের হতে পারছিলাম মা। কাছের মানুষদের সঙ্গে দেখা করতে পারছিলাম না।’ হাসপাতাল থেকে ফিরে পার্টি হবে বলে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে আপ্যায়ন করব। আমাদের ছোট্ট সন্তান এই মর্টেরোনের বাসিন্দা, এটা ভেবেই দারুণ আনন্দ হচ্ছে।’

কয়েক সপ্তাহ আগেই তথ্য প্রকাশ করে জানানো হয়েছিল, ২০১৯ সালে জন্মের হার রেকর্ড পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে ইতালিতে। গত বছর সেখানে জন্মেছে ৪ লাখ ২০ হাজার ১৭০টি শিশু। ১৮৬১ সালের পর থেকে সেখানে এত কম শিশুর জন্ম এটাই।

সূত্র : ডিডিমুন