সর্বশেষ

24.6 C
Rajshahi
Tuesday, December 7, 2021

Tuesday, December 7, 2021

বন্ধের পথে সৈয়দপুর রেল কারখানা

রাজশাহীর থিম ওমর প্লাজায় বিনিয়োগের সুবর্ণ সুযোগ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অল্প কিছু সংখ্যক ফ্ল্যাট ও দোকান বিক্রয় চলছে। এককালীন মূল্য পরিশোধে বিশেষ মূল্য ছাড় !! যোগাগোঃ 01615-33 22 29,01615-33 22 51. Theme Omor Plazaকম্পিউটার,কম্পিউটার এক্সেসরিজ ও মোবাইল মোবাইল এক্সেসরিজ. এবং ইলেকট্রনিক্স পন্য মেলা দোকান স্টল বুকিং ও রেজিস্ট্রেশন চলছে। যোগাযোগ-০১৬১৫-৩৩২২২৯,০১৬১৫-৩৩২২৫১,০১৬১৫-৩৩২২২৬ , ০১৭১৯-২৫০২৪২,০১৭২১-১৮৪৮৩১

এক দশক আগেই এখানে তৈরি হতো ট্রেনের কোচ আর ১২ হাজার রকমের যন্ত্রপাতি। সৈয়দপুরে অবস্থিত উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় এই রেল কারখানা এখন বন্ধের পথে। লোকবলের সংকট, বাজেটের ঘাটতি আর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে কয়েক হাজার যন্ত্রপাতির উৎপাদন। যার কারণে ভারী হচ্ছে লোকসানের পাল্লা। এখনই উদ্যোগ না নিলে কয়েক বছরের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধের আশঙ্কা খোদ রেল কর্মকর্তাদের।

১৮৭০ সালে স্বনির্ভর রেল ব্যবস্থা গড়তে ১১০ একর জমিতে সৈয়দপুরে প্রতিষ্ঠিত হয় উপমহাদেশের বৃহৎ রেল কারখানা। ভারত-পাকিস্তান আর বাংলাদেশের পুরো রেল ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি উৎপাদন হতো এ কারখানায়। ১৯৯২ সাল পর্যন্ত সেখানে তৈরি হতো ১২ হাজার রকম যন্ত্রাংশ আর ট্রেনের কোচ। সে সময়ও কারখানায় কাজ করতে ৭-৮ হাজার শ্রমিক। ৮০ শতাংশ জনবল ঘাটতি নিয়ে টিকে থাকা কারখানাটি এখন বগি মেরামতের সক্ষমতাও হারাতে বসেছে।

- - Advertisement - -

কর্মরতরা বলেন, এক সময় বাংলাদেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের চাহিদাও মেটানো হতো এখান থেকে। এখন নিজেদের চাহিদা মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছি।

ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রপাতি উৎপাদনের জন্য রয়েছে ১১টি ছোট কারখানা। লোকবলের অভাবে ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে তিনটি উপশপ। বাকিগুলোও বন্ধের পথে। দীর্ঘদিন পড়ে থাকার কারণে স্থায়ীভাবে অকেজো হওয়ার পথে কয়েক হাজার কোটি টাকার মেশিনপত্র।

প্রতি বছর ৬০ শতাংশ বাজেট ঘাটতি আর কাঁচামালের অভাবে চাহিদার ৫ শতাংশও যন্ত্রপাতি উৎপাদন সম্ভব হয় না এখানে। সচল থাকা মেশিনগুলোর ৯০ শতাংশেরই মেয়াদ পেরিয়ে গেছে বহুকাল আগে।

এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে কারখানা। অথচ প্রতি বছর অন্তত ২০০ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ কিনতে হয় বিদেশ থেকে।

এ প্রসঙ্গে কারখানাটির কর্ম ব্যবস্থাপক শেখ হাসানুজ্জামান বলেন, জনবল, বাজেট, অবকাঠামোর সংকট রয়েছে এখানে। এসব পূরণ হলেই পুরো মাত্রায় কাজ করা সম্ভব।

একই রকম অবস্থা পার্বতীপুরের লোকমোটিভ ও পাহাড়তলীর কোচ কারখানার।

সুত্র সময়