সর্বশেষ

24.6 C
Rajshahi
Tuesday, December 7, 2021

Tuesday, December 7, 2021

রেকর্ড হারে ভেঙে গলছে গ্রিনল্যান্ডের বরফ!

রাজশাহীর থিম ওমর প্লাজায় বিনিয়োগের সুবর্ণ সুযোগ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অল্প কিছু সংখ্যক ফ্ল্যাট ও দোকান বিক্রয় চলছে। এককালীন মূল্য পরিশোধে বিশেষ মূল্য ছাড় !! যোগাগোঃ 01615-33 22 29,01615-33 22 51. Theme Omor Plazaকম্পিউটার,কম্পিউটার এক্সেসরিজ ও মোবাইল মোবাইল এক্সেসরিজ. এবং ইলেকট্রনিক্স পন্য মেলা দোকান স্টল বুকিং ও রেজিস্ট্রেশন চলছে। যোগাযোগ-০১৬১৫-৩৩২২২৯,০১৬১৫-৩৩২২৫১,০১৬১৫-৩৩২২২৬ , ০১৭১৯-২৫০২৪২,০১৭২১-১৮৪৮৩১

টপ নিউজ ডেস্ক : বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে বরফ গলা বেড়ে গেছে। গতবছরের চেয়ে এবারের মাত্রা অনেক বেশি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুমেরু অঞ্চলের মহাসাগর ঘেঁষা গ্রিনল্যান্ডে বরফ এতই গলছে যে, আগের রেকর্ড ভেঙে ১৫ শতাংশ এগিয়ে গেছে। একটি নতুন বিশ্লেষণ বলছে, ১৯৪৮ সালের রেকর্ডগুলোর তুলনায় এবারের বরফ গলার পরিমাণ ‘নজীরবিহীন’। এছাড়া প্রায় প্রতিবছরই রেকর্ড ভেঙে দ্বীপটির বরফ গলছে আশঙ্কাজনকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে।

- - Advertisement - -

বিজ্ঞানীরা বলছেন, গতবছরের রেকর্ড ভেঙে বরফ গলছে এবার। অথচ গতবছরের গ্রীষ্মেও আশঙ্কাজনক হারে বরফ গলেছে দ্বীপটিতে। তারা বলছেন, ২০১৯ সালে তীব্র তাপের প্রভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের ‘সবুজদ্বীপ’। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কার্বনডাইঅক্সাইডের চলমান নির্গমন গ্রিনল্যান্ডকে আরও চরম খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। গলানোর যুগে ঠেলে দিচ্ছে।

বিবিসি বলছে, গত ৩০ বছরে বরফ গলা বেড়ে যাওয়ার কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকহারে। আর এতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে গ্রিনল্যান্ড।

গতবছরের ডিসেম্বরে প্রকাশিত গ্রিনল্যান্ডের একটি বড় আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ১৯৯০ দশকের তুলনায় এখন সাতগুণ বেশি বরফ গলছে। আবার এখনের একটি প্রতিবেদনেও দেখা যাচ্ছে, সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। যা বিশ্বকে অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের দিকেও ঠেলে দিচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

তবে ২০১৯ সালের আগে দুই বছর, ২০১৮ এবং ২০১৭ সালে বরফ গলা কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল বলছে বিবিসি। আবার যা ছিল শুধু ২০০৩ সালের পরে অন্য দুই বছরের চেয়ে কম। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুটি ‘খুব শীতল’ গ্রীষ্ম এবং শরতে ভারী তুষারপাতের কারণে বরফ গলা কিছুটা কমেছিল। নতুন এ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত কোপেনহেগেনের ডেনিশ আবহাওয়া ইনস্টিটিউটের ড. রুথ মট্রাম বলেছেন, ব্যাপারটি সত্যিই উদ্বেগজনক।

সূত্র : ওইন