সর্বশেষ

32.8 C
Rajshahi
বুধবার, জুলাই ২৪, ২০২৪

সাড়ে ৪ মাসে ১৮৮ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, কিছু বিষয়কে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা

টপ নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৪ মে পর্যন্ত ১৮৮ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের তিনদিনেই অন্তত ১০ জন বেছে নেয় আত্মহননের পথ। বিশেষজ্ঞদের মতে পারিবারিক চাপ, প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি, দারিদ্র আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উসকে দিচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

এক ছোট জীবনের অবসান পরিবার বুঝে ওঠার আগেই। কাঙ্ক্ষিত ফলের ব্যর্থতা, কেনো আর কীভাবে এত ভারী হয়ে উঠে শিক্ষার্থীদের জীবনে?

প্রতিবছরই মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষার্থী বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। আঁচল ফাউন্ডেশনের তথ্য বলছে, দেশে ২০২৩ সালে আত্মহনন করেছে ৫১৩ শিক্ষার্থী। সংখ্যাটা ২০২২ ছিল ৫৩২ জন। আর চলতি বছর জানুয়ারি থেকে ১৪ মে পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।

শিক্ষক, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মী সঙ্গীতা ইমাম বলেন, যারা পরীক্ষা ভালো করে, সবাই উৎসব করে তাদের নিয়ে এবং রাষ্ট্রও তাদের নিয়ে উৎসব করে। কিন্তু যারা ঝরে গেল, পারল না, তাদের জন্য বুস্টার্ব করা, কেন এরা এবার পারল না, কেন পারল না, সেগুলো নিয়ে তাদের সহযোগিতা করা-এটা কিন্তু নাই আমাদের মধ্যে।

বিশেষজ্ঞের মতে, আত্মহত্যার ঘটনা ঘটলে, পরিবারের অন্য সদস্যদেরও ঝুঁকি থেকে যায় আত্মহননের। যদিও পরিবার সহযোগিতার হাত বাড়ালেই এই চিত্র বদলাতে পারে।

মনোবিজ্ঞানী রাউফুন নাহার বলেন, পরীক্ষায় খারাপ করলে সরাসরি  বলে মা-বাবারা “আমরা কাউকে মুখ দেখাতে পারছি না”। তখন শিশু বা শিক্ষার্থীরা কিন্তু মনে করে কোন মানেই নাই তাদের বেঁচে থাকার। তবে বাইরে থেকে যতই চাপ আসুক, কিন্তু এগুলো কোনো বিষয়ই না পরিবার ঠিক থাকলে।

লেখক ও গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, আমরা কথা বলছি তখন, যখন ঘটনা ঘটছে। কিন্তু কয়েকদিন পরই থেমে যাচ্ছি। এটাকে স্বীকার করতে হবে যে, আমাদের একটা সামাজিক সংকট আছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশু-কিশোরের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতনতার বিকল্প নেই পরিস্থিতি বিবেচনায়। যত্নে থাকুক মন পদ্ধতিগত দিকগুলোকে মাথায় রেখেই।

সম্পাদনায়: শাহনাজ সাফা

Sourcechannel24

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Articles