গোদাগাড়ীতে ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হওয়ায় বয়েছে আনন্দের বন্যা।

0
296

মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকে : দেশে নতুন করে ২ হাজার ৭শ ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে গোদাগাড়ীর ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হওয়ায় এখানে বইছে আনন্দোর বন্যা। চলছে মিষ্টি বিতরণ।
দেশেনতুন করে ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতার ২ হাজার ৫১টি স্কুল ও কলেজ আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ৬৬৫ টি মাlদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে। 


বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার তথ্য জানায়।
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি দুপুর ১ টায় সচিবালয়ে এমপিও প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের। প্রসঙ্গত, এমপিওভুক্ত হলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতার সরকারি একটি অংশ পেয়ে থাকেন।
এ দিকে গোদাগাড়ী উপজেলার সর্বচ্চ ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিটিও ভুক্তি হয়েছে, এগুলি হলো বিড়ইল উচ্চ বিদ্যালয়, মাছমারা উচ্চ বিদ্যালয়, চম্পক নগর উচ্চ বিদ্যালয়, ঘনশ্যামপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও দিয়াড় মানিক চর নিম্নমাধ্যমিক। ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মচারি, অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে সে সাথে চলছে মিষ্টি বতরণ।


বিড়ইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, গত ২২ বছরের বেশী সময় ধরে বিনা বেতনে পাঠ দান দিতে দিতে শিক্ষকেরা মহাসংকটে পড়েছিল, বেতনভাতা না পেয়ে শিক্ষক কর্মচারিগণ পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে ছিল এখন সে কষ্ট দূর হবে ইনশাল্লাহ।  এজন্য প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাই, সে সাথে তাদের জন্য আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তারা সুস্থ্য থেকে দেশের সেবা করে যেতে পারেন।


রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার, উন্নয়নের সরকার। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির শিক্ষক কর্মচারীগণ বছরের পর বছর বেতন ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন। এবার শতভাগ দুর্নীতি মুক্ত নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এমপিও ভুক্ত হয়েছে।  বিএনপি জামায়াত সরকারের আমূলে শিক্ষক কর্মচারীগণকে ভিটেমাটি, গরু, ছাগল বিক্রি করে এমপিও কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করতে হত। সে অবস্থা নেই এখন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী গরীর শিক্ষক কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করে কোন প্রকার  উৎকোচ ছাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এমপিও করার  ব্যবস্থা করেছেন। ফলে দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়া পথে দেশ এক ধাপ এগিয় গেল। তাই বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের পক্ষ থেকে, শিক্ষক কর্মচারীদের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। প্রধান মন্ত্রীর জন্য এলাকার মানুষ আল্লাহর দরবারে প্রাথনা করবেন, যেন আগামীতে  দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকে। উনার হাত ধরে উন্নত বাংলাদেশের সুফল ভোগ করতে পারবে জনগন, এ প্রত্যাশা করি।এমপিও হাওয়ার ফলে এলাকার হাজার হাজার শিক্ষর্থী উন্নত মানসম্মত পাঠদান গ্রহন করতে পারবে। এখন শিক্ষকগন রুটি রুজির কথা চিন্তা ভাবনা না করে শিক্ষার্থীদের ভালভাবে শিক্ষা দিতে পারবেন।


উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার উন্নয়নের সরকার এটাই তার প্রমান, গোদাগাড়ীতে ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই। একই মন্তব্য করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশিদ।


গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার, রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী  কঠোর পরিশ্রম করে,  গোদাগাড়ীতে ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত করতে পেরেছেন এ জন্য গোদাগাড়ী উপজেলা বাসীর  পক্ষ থেকে প্রধান মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী ও রাজশাহী ১ আসনের সংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের অর্থবিষায়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল উদ্দিন সোহেল বলেন,  আমাদের পোড়া মাটির সন্তান, রাজশাহী ১ আসনের এমপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী শিক্ষক সমাজের কথা চিন্তা করে এ মহৎ কাজটি করেছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীগণ গত ২০/২২ বছর থেকে বেতনভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন এখন থেকে তারা চিন্তামুক্তভাবে পাঠদান করতে পারবেন, শিক্ষার্থী,  অভিভাবক এলাকাবাসি  উপকৃত হবেন। এজন্য প্রধান মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, আমাদের সংসদ সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

আপনার মন্তব্য