সর্বশেষ

39.4 C
Rajshahi
সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৪

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল থামবে কবে?

প্রধান কারণ ও প্রতিরোধের উপায় কি?

মো. হায়দার আলীঃ করোনাকালীন সময়ের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে,  পবিত্র মাহে রমজানে ক্লাস হচ্ছে এখন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কি অবস্থা, শিক্ষার্থীদের কি পরিমান ক্ষতি হচ্ছে, স্কুল কলেজ মাদ্রসা বন্ধ ছিল  গত ২০২০ ইং বছর ১৭ মার্চে থেকে বন্ধ ছিল, ওই সময় থেকে  দেদারসে চলেছিল শিক্ষকদের প্রাইভেট, কোচিং বানিজ্য, রহস্যজনক কারণে প্রশাসন রয়েছে নিরব দর্শকের ভূমিকায়। কিন্তু কোনা কোন স্থানে এসব অবৈধ প্রাইভেট কোচিং বানিজ্যের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছেন প্রশাসন যা পত্র পত্রিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর পাওযা গেছে। এ  অবস্থায় অনলাইন ক্লাস শিক্ষার্থীদের কতটা উপকারে এসেছিল। স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেটের গতি নিয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা কতটা সমস্যার মুখে পড়েছিল। বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীগণ অল্প সময়ে সীমিত আকারে শ্রেণী কক্ষের ক্লাস পেয়েছিল, তিনটি বিষয়ের উপর পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি ও এইচ এস সি  অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এর ভিক্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে লিখার জন্য, তথ্য উপাত্ত নিয়ে ল্যাপটপ ওপেন করলাম। এমন সময় এক সড়ক দুর্ঘটনা কথা কানে আসল তাই লিখার থিম পরিবর্তন করে সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে আআল্লাহর নাম নিয়ে  লিখা শুরু করলাম। জানি না পাঠকগণ কতটা উপকৃত হবেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে, ২০২১ সালে দেশব্যাপী ৫ হাজার ৩৭১টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬ হাজার ২৮৪ জন। আর আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৮ জন।

এরমধ্যে ২ হাজার ৭৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২ হাজার ২১৪ জন। যা মোট নিহতের ৩৫.২৩ শতাংশ। এছাড়া বছর জুড়ে দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৫২৩ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৪.২৩ শতাংশ। গত শনিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ ও পর্যালোনা’ শীর্ষক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জনায় রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

৭টি জাতীয় দৈনিক, ৫টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালে ৭৬টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত, ১৯২ জন আহত এবং ৪৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন। আর ১২৩টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৪৭ জন নিহত এবং ৩৯ জন আহত হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্যে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিগত বছরে(২০২১) সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মোটরসাইকেল চালক বা আরোহীর, যা মোট মৃত্যুর ৩৫.২৩ শতাংশ।
এছাড়া, তিন চাকার গাড়ির যাত্রী নিহত হয়েছেন ৯৩৪ জন, যা ছিল মোট মৃত্যুর ১৪.৮৬ শতাংশ, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপের যাত্রী ৪৫৬ জন বা ৭.২৭ শতাংশ, বাসযাত্রী ৩৮৯ জন বা ৬.১৯ শতাংশ, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্সযাত্রী ২৭৬ জন বা ৪.৩৯ শতাংশ, নসিমন- ভটভটির মতো স্থানীয়ভাবে ম্যানুফ্যাক্চার্ড যানবাহনের যাত্রী ৩৫৯ জন বা ৫.৭১ শতাংশ এবং সাইকেল-রিকশাযাত্রী ১৩২ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২.১০ শতাংশ।

মোট ৫ হাজার ৩৭১টি দুর্ঘটনার মধ্যে জাতীয় মহাসড়কে ২ হাজার ১৪টি, আঞ্চলিক সড়কে ১ হাজার ৬৭০টি, ৯৫৪টি গ্রামীণ সড়কে, ৬৬৫টি শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে ৬৮টি সংগঠিত হয়েছে।

বিভাগ ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছরে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৩৪৪টি দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৫৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধুমাত্র রাজধানীতেই ১৩১টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৭ জন।

ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে দুর্ঘটনা বেড়েছে ০.৮৯ শতাংশ, প্রাণহানি ৪.২২ শতাংশ এবং আহত বেড়েছে ৩.৮৮ শতাংশ। আর ২০২০ সালের থেকে ২০২১ সালে দুর্ঘটনা বেড়েছে ১৩.৪৩ শতাংশ, যাতে প্রাণহানি বাড়ে ১৫.৭০ শতাংশ এবং আহত বাড়ে ১.২০ শতাংশ।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮-৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ৫ হাজার ১৯২ জন, যা মোট মৃত্যুর ৮২.৬২ শতাংশ। বছরজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় যে পরিমাণ মানব সম্পদের ক্ষতি হয়েছে তা জিডিপির ০.৩ শতাংশ, যার আর্থিক মূল্য ৯ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা।

বর্তমানে আমরা খবরের কাগজ,  টিভি খোললেই দেখতে পাই দেশের কোনো না কোনো স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই থাকে। সড়ক দুর্ঘটনার ফলে প্রতি বছর হাজারো মানুষ নিহত হয়, যার ক্ষয়ক্ষতি ভুক্তভোগী পরিবার গুলোকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়। এই আর্টিকেলটিতে সড়ক দুর্ঘটনার বিভিন্ন কারণগুলি উল্লেখ করবো:

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ সমূহ: অত্যধিক আত্মবিশ্বাস, মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অননুমোদিত ওভারটেকিং, বিভিন্ন স্টান্ডে অযথা সময়ক্ষেপন পিছনের গাড়ী আসার সাথে সাথে খুব দ্রুতগতিতে গাড়ী টান দেয়া, মাদক সেবন করে গাড়ী চালানো, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন, অপ্রশস্ত রাস্তা, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা,

জনসংখ্যার চাপ ও অপ্রতুল পরিবহন ব্যবস্থা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও পণ্যবাহী গাড়িতে যাত্রী বহন, অদক্ষ চালক ও হেলপার দিয়ে যানবাহন চালানো, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের উপায়:

বেপরোয়া গতি ও অননুমোদিত ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকা। ফিটনেস ও সার্টিফিকেটবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামানো থেকে বিরত থাকা। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকা। ট্রাফিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ করা, অতিরিক্ত যাত্রী এবং মালামাল বহন এর ক্ষেত্রে সচেতনতা। পথচারীদের সতর্কভাবে চলাফেরা করা উচিত। সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা।

গাড়ি চালানো অবস্থায় চালকের কথা বলা থেকে বিরত থাকা। বর্তমান সমাজে ঘর থেকে বের হলেই প্রত্যেক মানুষকে সড়ক দুর্ঘটনা নামক আতংক তাড়া করে বেড়ায়। প্রতিদিন দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই থাকে।

যার ক্ষয়ক্ষতি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়। জনসচেতনতা এবং প্রয়োজনীয় সরকারি বেসরকারি পদক্ষেপই এই মহামারীকে রুখে দিতে পারে। বাংলাদেশের ৩ ধরণের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিদ্যমান। (১) সড়ক পথ, (২) নৌপথ এবং (৩) আকাশপথ। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার কিলোমিটার পাকা রাস্তা আছে। এছাড়া রয়েছে রেলপথ এবং রেলপথে ব্রডগেজ, মিটারগেজ এবং ডাবলগেজ এ ৩ ধরণের পথই আছে।

এছাড়া নৌপথ এবং আকাশপথ দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বর্হিবিশ্বে যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সার্বিকভাবে সড়কপথের যোগাযোগ সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তাই এই পথের গুরুত্ব অনেক বেশি।

প্রতিদিন টিভি ও সংবাদপত্রে যে খবরটি অনিবার্য তা হলো সড়ক দুর্ঘটনা। এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে বিভিন্নভাবে যানবাহনগুলোর মুখোমুখি সংঘর্ষে। এছাড়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া, এমন কি পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হওয়ার সময়ও দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এসব দুর্ঘটনা দেখে মনে হয় মৃত্যু যেন ওঁত পেতে বসে আছে রাস্তার অলিতে-গলিতে।

সড়ক দুর্ঘটনার বিভিন্ন কারণ নিম্নে আলোচনা করা হলো-
ওভারটেকিং ও অতিরিক্ত গতি: সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে গাড়িগুলোর ওভারটেকিং ও অতিরিক্ত গতিকে দায়ী করা হয়। পুলিশ রিপোর্টেও বলা হয়েছে অতিরিক্ত গতি এবং চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোই এ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। এছাড়া গাড়ি দ্রুতবেগে ব্রিজে ওঠার সময়ও দুর্ঘটনা ঘটার ইতিহাস অনেক রয়েছে।

অপ্রশস্ত রাস্তা: বাংলাদেশের অধিকাংশ রাস্তাই অপ্রশস্ত। যার ফলে দিন দিন সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। ঢাকা থেকে যাতায়াতের সবচেয়ে ব্যস্ত ঢাকা-আরিচা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে। এই রাস্তাগুলো প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রশস্ত। ফলে এই দুটি পথেই দুর্ঘটনা ও হতাহত বেশি হয়। তাছাড়া দেশের সর্বত্র অপ্রশস্ত রাস্তায় রয়েছে অতিরিক্ত গাড়ি।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, অল্প দক্ষ বা অদক্ষ চালক দিয়ে গাড়ি চালানোই সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ। বেপরোয়া গাড়ি চালাতে গিয়ে যাতে জীবনহানি না হয়, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। পরিবার সবসময়ই চায় আপনি এবং আপনার প্রিয় গাড়ি দুটোই থাকুক নিরাপদ।

০১. সিট বেল্ট বাঁধা
নিরাপদে গাড়ি চালানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গাড়ির সিট বেল্ট বাঁধা। প্রত্যেকটি দেশেই সিট বেল্ট বেঁধে গাড়ি চালানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সিট বেল্ট বেঁধে গাড়ি চালান।অবশ্যই মনে রাখবেন, শুধু আপনি নন আপনার সঙ্গে থাকা যাত্রীদেরও সিট বেল্ট বাঁধতে বাধ্য করবেন। সিট বেল্ট বেঁধে গাড়ি চালানো এবং গাড়িতে চড়া দুটোই নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

০২. মনোযোগ

নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের জন্য যা প্রয়োজন আপনার মনোযোগ। আপনি যখনই গাড়ি চালাবেন খেয়াল রাখবেন আপনার মনোযোগ যেন গাড়ি এবং রাস্তার দিকেই থাকে। কখনই গাড়ি এবং রাস্তা থেকে মনোযোগ সরাবেন না। একটু অমনোযোগী ড্রাইভিংয়ের কারণে ঘটতে পারে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

০৩. অল্প দক্ষ বা অদক্ষ চালক

অল্প দক্ষ বা অদক্ষ চালক দিয়ে কখনোই গাড়ি চালানো ঠিক নয়। কারণ বেশি দুর্ঘটনা ঘটে থাকে অদক্ষ চালকের জন্য। তাই এক্ষেত্রে গাড়ির মালিদের সচেতন হতে হবে। 

০৪. রোড স্ক্যানিং বা রাস্তা বিশ্লেষণ

রাস্তা বিশ্লেষণ বা রোড স্ক্যানিং নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন গাড়ি চলাবেন তখন অবশ্যই আপনার চলার রাস্তাটিকে ভালোভাবে বিশ্লেষণ করবেন। গাড়ি চালানোর সময় রাস্তা-সম্পর্কিত যে বিষয়গুলো আপনাকে অবশ্যই খেয়াল করতে হবে সেগুলো হলো- রাস্তায় গাড়ির পরিমাণ, রাস্তার লেনের পরিমাণ, রাস্তার গঠনগত অবস্থা, রাস্তার প্রশস্ততা।

০৫. গাড়ির গতিসীমা

গাড়ি চালানোর সময় কখনই হুটহাট করে গাড়ির গতিসীমা বাড়াবেন বা কমাবেন না। হুটহাট গাড়ির গতি বাড়ানো বা কমানো প্রায়শই বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই যতদূর সম্ভব এই বিষয়টি মেনে গাড়ি চালানোর চেষ্টা করবেন।

০৬. কথা বলা থেকে বিরত থাকুন

গাড়িতে চড়ে অনেক যাত্রী আছেন যারা ভাড়া ছাড়াও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে  ড্রাইভারের সঙ্গে কথা বলা থেকে শুরু করে হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যান- এটি কোনোভাবেই ঠিক নয়। গাড়ি চলানোর সময় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। 

০৭. প্রতিযোগিতা

অনেক সময় প্রতিযোগিতা করে অনেক ড্রাইভার গাড়ি চালিয়ে থাকেন। এটি সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। তাই ঠাণ্ডা মাথায় গাড়ি চালান। আর মনে রাখবেন আপনি গাড়ি চালানোর প্রতিযোগিতায় নামেননি, নিরাপদে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে গাড়ি চালাচ্ছেন।

০৮. লুকিং গ্লাস

প্রত্যেকটি গাড়ির দুটি লুকিং গ্লাস থাকে। একটি ডান হাতের পাশে আরেকটি বাম হাতের পাশে। গাড়ি চালানোর সময় লুকিং গ্লাস দেখা জরুরি। কারণ আপনার পাশ দিয়ে কোন গাড়ি যাচ্ছে- তা আপনি সহজেই দেখতে পারবেন। আর নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারবেন।

০৯. নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাবেন না

গাড়ি চালানোর সময় চালক নেশাগ্রস্ত থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। আমাদের দেশের বেশির ভাগ পাবলিক বাসের  দুর্ঘটনার কারণ নেশাগ্রস্ত চালক। তাই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাবেন না।

 আমাদের দেশে- অপর্যাপ্ত সড়ক অবকাঠামো, বেপরোয়া গাড়ি চালক, সনদহীন যানবাহন, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা এমন অনেক কারণেই সড়ক দুর্ঘটনায় আজ  অকালমৃত্যুর বড় মাধ্যম। সমস্যাগুলো সমাধানে  দেশের কর্তৃপক্ষ বেশি উদাসীন, মৃত্যুর মিছিলও বাড়ছে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Articles