সর্বশেষ

16.5 C
Rajshahi
সোমবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২৩

আজ মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪৩তম জন্মদিন

- Advertisement -

টপ নিউজ ডেস্কঃ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আজ ১২ ডিসেম্বর ১৪৩তম জন্মদিন। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক দল ও সংগঠন দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে আজ।

- - Advertisement - -

মহান এই নেতা ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়াপল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হাজি শারাফত আলী এবং বেগম শারাফত আলীর কনিষ্ঠ সন্তান। শৈশবে ‘চেগা মিয়া’ ছিল তার ডাক নাম। ১৯২৯ সালে আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে মওলানা ভাসানী, প্রথম কৃষক সম্মেলন আয়োজন করেন। তার নাম এখান থেকে রাখা হয় ‘ভাসানীর মাওলানা’। এরপর থেকেই তার নামের শেষে যুক্ত হয় ভাসানী শব্দটি। তবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবে সমধিক পরিচিত। ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মজলুম এই জননেতা পরলোক গমন করেন।

- Advertisement -

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়ও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশির ভাগ সময়ই মাওপন্থী কম্যুনিস্ট তথা বামধারার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাই এ জন্য তার অনুসারীরা অনেকে তাকে ডাকতেন ‘রেড মওলানা’ নামে।

পাকিস্তান আমলে কৃষকদের জন্য পূর্ব পাকিস্তান কৃষক পার্টি গঠন করায়, সারা দেশব্যাপী তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা। তিনি পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন, পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ হচ্ছে একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো।

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী রাজনীতির পাশাপাশি সমাজ সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন। তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে প্রতিষ্ঠা করেন মহিপুর হক্কুল এবাদ মিশন, যার অধীনে প্রতিষ্ঠা করেন একটি মেডিকেল, টেকনিক্যাল স্কুল ও হাজি মুহসিন কলেজ। পরবর্তী সময়ে এগুলোকে জাতীয়করণ করা হয়।

এ ছাড়াও তিনি ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন আসামে, সন্তোষে কারিগরি শিক্ষা কলেজ এবং শিশুকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং কাগমারিতে মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ। সন্তোষে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’ বিশ্ববিদ্যালয়, যার নাম ২০০২ সালে পরিবর্তন করে ‘মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে।

২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয় এবং ২০০৪ সালে বিবিসি জরিপে তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তালিকায় অষ্টম হন।

সম্পাদনায়ঃ হাবিবা সুলতানা

- Advertisement -

Related Articles

আপনার মন্তব্য

Latest Articles