আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ারের শাস্তি

0
171

টপ নিউজ ডেস্কঃ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে র‍্যাবের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম শাস্তি পেয়েছেন । তাকে তিরস্কার সূচক দেওয়া হয়েছে লঘুদণ্ড। তিনি বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে কর্মরত।

তাকে তিরস্কার সূচক লঘুদণ্ড দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি জারি করা হয়েছে প্রজ্ঞাপন ।

২০২১ সালের ৭ মার্চ প্রশাসনের ৩৩৭ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে উপ-সচিব পদে সরকার পদোন্নতি দেয় । কিন্তু ২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের আলোচিত এ কর্মকর্তা পদোন্নতিবঞ্চিত হন ।

বিসিএস ২৭তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে ২০০৮ সালের নভেম্বরে সরকারি চাকরিতে সারোয়ার আলম যোগ দেন । ২০১৪ সালের ১ জুন সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে তিনি পদোন্নতি পান । সে অনুযায়ী এ পদে প্রায় সাত বছরসহ মোট ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে কর্মরত থাকলেও সেসময় সারওয়ার আলম পদোন্নতিবঞ্চিত হন ।

পরদিন ৮ মার্চ বিসিএস ২৭তম ব্যাচের ফেসবুকে এই কর্মকর্তা লিখেছেন, ‘চাকুরী জীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশিরভাগই পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন চাকুরী জীবনে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে এ দেশে অবস্থান নেওয়াটাই অন্যায়।’

স্ট্যাটাসটি দেওয়ার পর সারওয়ারকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিচারের আওতায় আনে। ২০২১ সালের ৩০ জুন এ নিয়ে বিভাগীয় মামলা হয় এবং তার কাছে তলব করা হয় কৈফিয়ত । সারওয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনে দেননি কোনো লিখিত বক্তব্য ।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সারওয়ার আলম সরকার ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একজন সরকারি কর্মচারী হয়ে এ ধরনের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করার মাধ্যমে অকর্মকর্তাসুলভ আচরণ করেছেন এবং এতে জনপ্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৩ (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে গত বছরের ৩০ জুন অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী পাঠিয়ে তলব করা হয় কৈফিয়ত ।

সম্পাদনায়ঃ পূরবী রায় ।

আপনার মন্তব্য