তানোরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে পছন্দের তালিকার শীর্ষে ময়না

0
69
তানোরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে পছন্দের তালিকার শীর্ষে ময়না
তানোরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে পছন্দের তালিকার শীর্ষে ময়না

সোহেল রানাঃ রাজশাহী তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সফল সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নাই বর্তমান তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সভাপতি হিসাবে অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছেন তিনি।

২০০৩ সাল থেকে উপজেলা যুবলীগের দায়িত্ব ও কলমা ইউপির দুইবারের আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। ময়না চেয়ারম্যানের মূল শক্তি তথা হাতিয়ার সাধারণ জনগণ ও আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মী। আর সেই তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগনের ভালোবাসায় ময়না বর্তমানে তানোর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

জামাত বিএনপির আমলে, শিবিরের হাতে অনেক লাঞ্চিত হয়েছেন ময়না। তবুও তিনি রাজনীতিতে পিছ-পাঁ হননি। এমন একটা সময় ছিল তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের পদধারী দুই নেতা, ফারুক চৌধুরীর কাছে থেকে সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়েছেন। এমপি ফারুক চৌধুরীতো দুরের কথা তার গাড়ির সামনেও যেতে দেওয়া হয়নি ময়নাকে। নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থের কথা না ভেবে আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগকে এক শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে পরিণত করেছেন। সকল প্রকার দলীয় নির্বাচনে তানোর উপজেলা যুবলীগ তথা ময়না চেয়ারম্যানের ভূমিকা অতুলনীয়। তানোর উপজেলার ২টি পৌরসভার ও ৭ টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যুবলীগকে রাজনৈতিকভাবে চাঙ্গা করে রেখেছেন। যার ফলে আওয়ামী লীগের পদধারী দুই নেতা গোলাম রাব্বানী ও আল মামুনের জনপ্রিয়তা আজ তলানীতে এসে ঠেকেছে। অপরদিকে, ময়না চেয়ারম্যানের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। আগামী তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ময়না চেয়ারম্যানকেই দেখতে চায়।

এ বিষয়ে টপ নিউজের পক্ষ থেকে ময়না চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীর কাছে অনেক ঋনী। কারন তাদের ভালোবাসায় আজ আমি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। তানোর উপজেলার সাধারণ মানুষ ও তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য আমার দরজা সর্বদাই খোলা রয়েছে এবং যতদিন বেঁচে থাকব তাদের সেবা করে যাবো, ইনশাল্লাহ।

আগামী ১৬ জুন তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি প্রার্থী হবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী হবো তবে তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংগঠনের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মনোনীত নেতারা আমাকে তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব যদি দেন, তাহলে আমি সভাপতির দায়িত্ব পালন করব। অন্যথায় যাকেই সভাপতি-সম্পাদকের দায়িত্ব দেবেন, তার সাথেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে একজন সৈনিক হিসেবে  কাজ করে যাব। আমি কখনোই নৌকার সাথে বেইমানি করিনি, আগামীতেও করবো না, ইনশাল্লাহ।

আপনার মন্তব্য